মায়ার বাঁধন ৯ম পর্ব

Share On Social

মায়ার বাঁধন

৯ম পর্ব
আমি বাড়ি আসার পর পরী অনেকবার কল দিলো আর প্রতিবারই একই প্রশ্ন মাম্মাম দুস্তু লোক গুলো তোমাকে কস্ত দিচ্ছে না তো? তুমি চিন্তা করো না পাপা আর আমি খুব তাত্তাড়ি ওই দুস্তু লোকগুলোকে মেরে তোমাকে নিয়ে আসবো, পাপা বলেছে আমাকে।
এভাবে প্রতিদিন অনেকবার কথা হতে থাকে পরী আর প্রীতম সাহেবের সাথে। ছুটির দিনগুলোতে প্রীতম সাহেব ও আমি মিলে পরীকে নিয়ে বিভিন্ন শিশুপার্কে ও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাই তাতে সারাদিনটা পরীকে সময় দিতে পারি আর পরীও খুব আনন্দ পায় বলে পুরো সপ্তাহ আর বিরক্ত করে না দেখা করার জন্য।
এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে যায় আর আস্তে আস্তে পরীর প্রতি আমার মায়াও বাড়তে থাকে। পরী যেন আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে আর প্রীতম সাহেব লোকটাও এতটাই ভদ্র আর ভালো মানুষ যে তাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যায়। উনার সাথেও খুব ভালো একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেছে। উনি কিছু করলেই আমাকে আগে জানান আর আমারও অনেক বিষয়ে উনার সাথে শেয়ার করে কাজ করলে কেমন স্বস্থি লাগে। উনি যেকোন বিষয়ে পরামর্শ চাইলে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে ভালো পরামর্শটাই দেন।
একদিন আমার শরীর খারাপের কথা শুনে পরীকে নিয়ে প্রীতম সাহেব আমাদের বাসাতে আসেন আমাকে দেখতে, আম্মাও পরীকে দেখতে চেয়েছিলো অনেকবার তাই সেই সুযোগে দেখাও হয়ে যায়।
কিন্তু আমাদের এই সম্পর্কটা রুমন মেনে নিতে পারছিলো না। ওকে আমি কিছুতেই বোঝাতে পারিনা এটা শুধু একটা মা হারা ছোট বাচ্চার প্রতি মায়া ছাড়া কিছু নয়। (ও হ্যা রুমন হলো আমার সাথে যার বাগদান হয়েছে তার নাম। কিছুদিন আগেই আমাদের বাগদান হয়ে গেছে বিয়েটা হবে রুমনের বাবা দেশে ফিরলে। রুমনের সাথে আমার পরিচয়টা হয় একটা সেমিনারে, তারপর ও আমার নাম্বার নিয়ে বেশ কয়েকদিন কথা বলে জানায় আমাকে সে পছন্দ করে। আমি তখন সরাসরি বলে দেই যদি পছন্দ হয় তাহলে যেন বাড়িতে এসে বিয়ের প্রস্তাব দেয় কারন এখন প্রেম করার বয়স নাই আর এসব ঝামেলা ভালোও লাগে না। প্রেম করতে হলে একেবারে বিয়ে করেই করবো। রুমন তাতেই রাজি হয়ে ওর মা সহ কয়েকজনকে আমাদের বাসায় এনে, ওর মায়ের আমাকে পছন্দ হলে তখনই রিং পড়িয়ে যায় আর ওর বাবা কিছুদিন পর দেশে আসলে একটা ভালো দিন দেখে বিয়ে দিবে বলে যায়।
রুমন বেশ খুশি হয় কারন বাবা আসা পর্যন্ত এই কয়মাস প্রেম করতে পারবে আমার সাথে, আমারও ভালো লাগে যে দুজনকে জানাশুনার জন্য কিছুটা সময় পাওয়া গেলো। সেই থেকে আমাদের প্রেম শুরু, ৩মাস হলো। রুমনের বাবা সামনে মাসে দেশে আসলেই আমাদের বিয়ে হবে।)
কিন্তু রুমনের সাথে বেশ কিছুদিন হলো আমার খুব ঝগড়া হচ্ছে পরীর বিষয়টা নিয়ে, ও কিছুতেই এটা মেনে নিতে পারছে না যে আমি পরীর সাথে যোগাযোগ রাখি। প্রায় সময় এটা নিয়ে রাগ করে, আমি সবসময় বুঝাতে চেষ্টা করি কিন্তু ওর একটাই কথা অন্যের মেয়ের মা কেন হবো আমি, আর পরীর বাবার সাথে আমার কি সম্পর্ক? অন্যের মেয়ে মা বলে ডাকলে ওর পরিবারের কেউ মেনে নিবে না আর সবার কাছে ও ছোট হয়ে যাবে, বন্ধুরা বাঁজে কমেন্ট করবে, তাই একটাই কথা তুমি আর পরী বা ওর বাবার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারবে না।
কিন্তু সেটা মেনে নেওয়া আমার পক্ষেও সম্ভব নয়, কি করে এই কচি মেয়েটাকে বলবো আমি তার সাথে আর কথা বলতে পারবো না আর প্রীতম সাহেবকেই বা কি করে বলবো আপনার মেয়েকে ভালো রাখার দায় আমি আর নিতে পারবো না। অসম্ভব এটা আমার কাছে, এতটা অমানবিক কাজ আমি কি করে করবো? আর পরীর প্রতি আমার নিজেরও যে দুর্বলতা তৈরী হয়েছে সেখানে আমি নিজেও আর কথা না বলে থাকতে পারবো না।
রুমনকে হাজার ভাবে বুঝিয়েও কাজ হচ্ছে না। শেষে রুমন বললো আমি তোমার প্রীতম সাহেব আর পরীর সাথে দেখা করবো, সামনে শুক্রবারে তোমার সাথে আমাকেও নিয়ে যাবে। আমি বললাম ঠিক আছে আমি তোমাকে নিয়ে যাবো। মনে মনে ভাবলাম পরীকে দেখলে আর প্রীতম সাহেবের সাথে কথা বললে রুমনের ধারনা পাল্টে যাবে তখন আর আমাকে না করবে না। দেখেনি তাই দুর থেকে রাগ হচ্ছে কিন্তু পরীকে একবার দেখলে নিজেও মায়ায় পড়ে যাবে।
আমি কথা মত রুমনকে নিয়ে একটা শিশু পার্কে গেলাম। প্রীতম সাহেবের সাথে রুমনের পরিচয় করিয়ে দিলাম। প্রীতম সাহেব কি একটু মনে মনে কষ্ট পেলেন? বুঝলাম না তবে তার মুখে হাসি থাকলেও চেহারাটায় কেমন কালো চাপ পড়লো মনে হল। হয়তো আমি এর আগে কোনদিন রুমনের কোন গল্পই করিনি তাই ভেবে মনে কষ্ট পেয়েছে।
পরীকে বললাম এটা তোমার আঙ্কেল হয়, পরী খুব খুশি হয়ে বললো তাই? তুমি আমার আন্তেল হও? রুমন কেমন ঘোমরা মুখে শুধু বললো হ্যা, একটুও হাসলো না। পরী রুমনের হাত ধরে টেনে বললো আন্তেল চলো আমরা ওই রাইদে চড়ি। রুমন চুপ করে আছে, পরী বারবার টানলেও গেলো না, বললো আমি যাবো না তুমি তোমার পাপাকে নিয়ে যাও। পরীর জিদ, না তুমি চলো।
প্রীতম সাহেব বুঝতে পারলো রুমন বিরক্ত হচ্ছে আর ওর আচরনে আমি লজ্জা পাচ্ছি, তাই নিজেই বললো মা চলো আমি তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু পরী বললো না তুমি না আমি আন্তেলের সাথেই উতবো। কিন্তু রুমনের চোখে মুখে বিরক্তের ছাপ ফুটে উঠছে, ও রেগে যাচ্ছে মনে মনে, তাই আমি ভয়ে তাড়াতাড়ি পরীকে বললাম চলো আমি তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি মাম্মাম। পরী বললো তোমাদের সাথে তো আগে উতেছি আজ আন্তেলের সাথেই উতবো আমি। পরীকে বললাম, মা আঙ্কেল তো রাইডে চড়তে পারে না মাথা ঘুরে ভয় পায়, তুমি চলো আমি যাচ্ছি।
কথাটা শুনে পরী খিলখিল করে হেসে উঠে বললো ওমা আন্তেল ভয় পায় হা হা হা. এত বড় মানুষ কি ভয় পায় হা হা হা. আন্তেল চলো আমি তো আছি তোমার কোন ভয় নাই, আমি তোমাকে ধরে রাখবো বলেই রুমনের হাতটা টানতে লাগলো। রুমন হাতটা ঝাটকানী দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে পরীর দিকে বড় করে তাকিয়ে বললো, আমি বললাম না যাবো না, কথা শোন না কেন?
রুমনের এমন আচরনে আমার খুব কষ্ট হলো, ও পরীর সাথে এমন বড় করে তাকিয়ে কথা বললো সেটা আমার সহ্য হলো না, আর প্রীতম সাহেবের কাছে এতটাই লজ্জা পেলাম এতটা ছোট লাগলো নিজেকে যে মুখের দিকে তাকাতে পারলাম না। কি ভাববে ভদ্রলোক, যার সাথে আমার দুদিন পর বিয়ে সে কিনা এমন আচরন করছে। আমি পরীকে কোলে নিয়ে চলে গেলাম কিছু না বলে তাড়াতাড়ি।
প্রীতম সাহেব বুঝতে পারলেন আমার খারাপ লাগাটা তাই সে পরীকে আর কিছু বললো না পাছে আমি আরো কষ্ট পাই, লজ্জা পাই। আমি চলে যাওয়ার পর রুমন ও প্রীতম সাহেব অনেক গল্প করেন।
আমি পরীকে নিয়ে রাইডে চড়িয়ে দুএকবার দুর থেকে তাকিয়ে দেখলাম দুজন গল্প করছে, ভয় হচ্ছিল রুমনের যে রাগ, না জানি কি কি বলে? খুব চিন্তাও হচ্ছিল আবার ভাবলাম না রুমন নিশ্চয় ভদ্রলোকের সাথে রাগ দেখাবে না বা এমন কোন কথা বলবে না যেটাতে প্রীতম সাহেব কষ্ট পায়। রুমন আমার উপর যতই রাগ করুক বাঁজে কথা বলুক সেটা নিশ্চয় বাহিরের কারো সাথে করবে না। আমার উপর অধিকার আছে বলেই করে। আমার ভালো লাগলো ওদের গল্প করা দেখে যে হয়তো এবার রুমনের রাগ পড়ে যাবে কথা বলার পর। কিন্তু প্রীতম সাহেবের মাথা নিচু করে থাকাটাও কেমন লাগলো, কেন এমন করে আছে ভাবলাম, কারন এতদিনে আমি প্রীতম সাহেবকে বেশ ভালোই বুঝে গেছি, ভদ্রলোক খারাপ লাগলে কখনো মুখে বলে না চুপ করে থাকে। মুখে এমন একটা হাসি দিয়ে রাখে যে কারো বোঝার উপায় নাই সে কোন কারনে কষ্ট পেয়েছে।
আমি পরীকে নিয়ে ফিরে এসে দুজনের মুখের দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করলাম যে সম্পর্কটা কেমন হলো। না! আমি মিছেই ভয় পাচ্ছিলাম, দুজনই তো খুব হাসিখুশি দেখছি, রুমনও বেশ খুশি খুশি। আসার সাথে সাথে পরীকে রুমন কোলে নিয়ে বললো চলো আমরা আইসক্রিম খাবো বলেই চলে গেলো। এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগলো। ভাবলাম যাক তাহলে রুমনের সব ভুল ভেঙ্গে গেছে। কি যে শান্তি লাগছে দুজনের হাসি মুখ দেখে, নিশ্চয় আর কোন বাঁধা নেই পরীর সাথে কথা বলতে, এবার রুমনই হয়তো নিজে থেকে যোগাযোগ করতে চাইবে পরীর সাথে। আমিও যে কিনা, রুমনকে এতদিনেও ঠিক মত চিনতে পারলাম না, শুধু ওর উপরের রাগটাই দেখি কিন্তু ওর মনটা যে কতটা নরম তা আবার প্রমান হলো।
আমি হাসতে হাসতে প্রীতম সাহেবকে বললাম কেমন লাগলো রুমনকে? আসলে ও একটু এমনই, সহজে কারো সাথে মিশতে চায় না কিন্তু একবার মিশলে খুবই তাড়াতাড়ি বন্ধুত্ব করে ফেলে। আপনি ওর প্রথমের আচরনে কষ্ট পেয়েছেন জানি তার জন্য আমি ক্ষমা চাইছি।
প্রীতম সাহেব বললেন ছি:ছি: এটা কি বলছেন, আমি কিছু মনে করিনি, রুমন সাহেব খুব ভালো, আপনার যোগ্য সঙ্গী পেয়েছেন, আপনারা খুব সুখি হবেন।
তারপর আমরা সবাই চলে আসলাম, আমি বাড়িতে এসে অমনি প্রীতম সাহেবকে কল দিলাম ঠিকমত পৌঁছেছি সেটা জানাতে আর জানতে, কিন্তু রিসিভ হলো না। এমনটা এই প্রথম হলো যে আমি কল দিলে সেটা সাথে সাথে রিসিভ হলো না। হয়তো মোবাইলের কাছে নেই তাই আবার দিলাম কিন্তু এবারও মিস। ভাবলাম থাক একটু পর নিজেই কল করবে আমি পৌঁছালাম কিনা ঠিক মত জানতে।
অনেক সময় হলো কিন্তু কল না আসায় টেনশন হলো তাই আবার কল দিলাম, এবার প্রীতম সাহেব কল ধরতেই বললাম কি হয়েছিলো কল কেন ধরছিলেন না আবার এত সময় কলও দিলেন না? প্রীতম সাহেব বললো একটু ব্যস্ত ছিলাম তাই। বললাম পরী কই ওকে দিন। বললো পরী ঘুমিয়ে পড়েছে। খুব অবাক হলাম পরী আমার সাথে কথা না বলেই ঘুমিয়ে গেছে শুনে, বললাম এত তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেলো যে, আজ কি ওর মাম্মামের সাথে কথা বলার কথা ভুলে গেছে?
প্রীতম সাহেব বললেন, না হয়তো টায়ার্ড তাই, আচ্ছা আমি পড়ে কথা বলবো আপনার সাথে এখন একটু কাজ করছি বলেই লাইনটা কেটে দিলেন। প্রীতম সাহেব ও পরীর আচরন কেমন অদ্ভুত লাগলো যেটা এতদিন দেখিনি।
রাতে রুমন খুব ভালো করে কথা বললো, ওকে খুব আনন্দিত মনে হচ্ছিলো। পরী আর প্রীতম সাহেবের সাথে কথা হয়েছে কিনা নিজেই জানতে চাইলো। আমি বললাম না এইটুকু কথা হয়েছে শুধু আর কি ব্যাপার পরীর উপর তোমারও মায়া পড়ে গেলো নাকি বলেই হাসতে লাগলাম। রুমন বললো না তেমন কিছু না এমনি খোঁজ নিলাম বলে কথা শেষ করে ঘুমিয়ে গেলাম।
সকালে উঠার পর রোজ প্রীতম সাহেব আগে কল দিয়ে পরীর সাথে কথা বলিয়ে দেয় কিন্তু আজ দিলো না দেখে আমি নিজেই কল দিলাম, সেই একই রকম ধরলো না মিস কল হলো, ৩বারের বার ধরে বললো কাজ করছিলো তাই কল দিতে ভুলে গেছে। পরীর সাথে একটু কথা বলে রাখলাম। সারাদিন আর একবারও নিজে থেকে কল দিলো না, যতবার আমি কল দিচ্ছি ততবার কোন না কোন ব্যস্ততার অজুহাত দেখাচ্ছেন।
আমার ভাবনাটা গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে কেন এমন করছে প্রীতম সাহেব? এতদিন তো এমন করেনি, কাল থেকেই এমন করছে কিন্তু আসার আগে তো কোন কিছু বুঝলাম না আর আমিও তো কিছু বলিনি তবে হঠাৎ কি এমন হলো? শরীর খারাপ নয়তো? নাকি রুমন কিছু বলেছে? কাল থেকে রুমনের আচরনও কেমন পাল্টে গেছে, যতবার কল দিচ্ছে ততবার পরী বা প্রীতম সাহেবের সাথে কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইছে। আমি যখনি বলছি কথা হয়নি তখনই ঠিক আছে বলে রেখে দিচ্ছে। সবার আচরনই কেমন উল্টাপাল্টা লাগছে। তাহলে কি তাহলে রুমনই কিছু বলেছে? এমন কিছু বলেছে যার জন্য ভদ্রলোক কষ্ট পেয়ে আমার সাথে কথা বলছে না?
আমি রুমনকে কল দিয়ে জানতে চাইলাম কাল প্রীতম সাহেবের সাথে কি কথা হয়েছে? কি বলেছে ভদ্রলোককে?
আমার প্রশ্ন করা শুনেই রুমন কেমন চমকে উঠে বললো, না তেমন কোন কথা হয়নি এমনি গল্প করছিলাম আর আমাদের বিয়ে নিয়ে আলোচনা করছিলাম।
#আমি- তুমি উনাকে সত্যি অন্য কিছু বলোনি?
তখন রুমন একটু রেগে গিয়ে বললো, বলেছি তাতে কি হয়েছে?
#আমি- কি বলেছো আর উনি কি বলেছেন পুরোটা আমাকে বলো, আমি শুনবো।
#রুমন- কি শুনবে এতক্ষন তো নিশ্চয় তোমার প্রীতম সাহেব তোমাকে সব বলেই দিয়েছেন তাহলে আমার কাছে কেন শুনতে চাইছো।
#আমি- প্রীতম সাহেব আমাকে কি বলেছে সেটা পরের ব্যাপার, আমি তোমার থেকে শুনতে চাই।
#রুমন- আমি কিছু বলতে পারবো না।
#আমি- তুমি সত্যি বলবে না? আমি তোমাকে ভালো করে জিজ্ঞাসা করছি প্লিজ বলো কি বলেছো? আমি শুধু জানতে চাই পুরোটা। বলো আমাকে।
#চলবে..
♥স্বপ্না’স খেয়াল♥

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.