মায়ার বাঁধন ১২তম পর্ব

Share On Social

মায়ার বাঁধন

১২তম পর্ব
হঠাৎ একজন বলে উঠলো এ বিয়ে হবে না, যে মেয়ে নিয়ে এত কাহিনী সেই মেয়ের সাথে আমাদের ছেলের বিয়ে দেবো না, দেশে কি ভালো মেয়ের অভাব পরেছে নাকি। একজনের কথা শুনে বাকিরাও একই সুরে গান গাইলো এই বিয়ে হবে না সব চলো।
আমাদের বাড়ির মানুষগুলো পাগল পাগল অবস্থা হয়ে গেলো এসব কথা শুনে। সবাই বর পক্ষের একেক জনের হাতে পায়ে ধরতে শুরু করলো। আমার আম্মা গিয়ে হাত ধরে ক্ষমা চেয়ে কান্না করে বললো এই বিয়ে না হলে আমার মেয়ের কি হবে? জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে, দয়া করে আপনারা এমন কাজ করবেন না।
আম্মার কথা শুনে উত্তর দিলো আপনার মেয়ের যখন অন্যের বাচ্চার মা হওয়ার এত শখ তাহলে উনার সঙ্গেই বিয়েটা দিয়ে দিন না, তাহলে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আপনিও একটা নাতনী ফ্রি পাবেন। আরো নানা কথা বলে যে যেভাবে পারছে অপমান করছে আর আম্মা কেঁদে কেটে হাতে পায়ে ধরছে।
যখন সবাই ব্যর্থ হলো তখন আম্মা আমার কাছে দৌড়ে এলো, আমি সেখানেই ঠায় দাঁড়িয়ে আছি মূর্তির মত। আম্মা এসে আমাকে ধাক্কা দিয়ে বললো তুই কি এখনও এভাবে দাঁড়িয়ে থাকবি? এদিকে যে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে, ওরা চলে যাচ্ছে বিয়ে দেবে না বলে, তুই একটু রুমনকে বোঝা মা, রুমনের সাথে একবার কথা বল, তুই কথা বলে বোঝালে রুমন ঠিক বুঝবে, তুই এত বড় সর্বনাশটা হতে দিস না, তুই রুমনের কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে অনুরোধ করলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিরে তোর কি আমার কোন কথা কানে যাচ্ছে না বলেই আম্মা আমাকে জোরে ধাক্কা দিলো।
আমি আম্মার ধাক্কা খেয়ে দুরে সরে গেলাম টলতে টলতে। বললাম রুমন কোথায়? আম্মা বললো ওই তো দাঁড়িয়ে আছে চুপ করে। আমাকে আম্মা হাত ধরে রুমনের কাছে নিয়ে গেলো, আমি রুমনের সামনে গিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে শুধু জিজ্ঞাসা করলাম তুমি কি চাও রুমন?
রুমন আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললো, এতকিছু করে এখন আমাকে বলছো আমি কি চাই? এতদিন তো এটা ভাবনি তাহলে এখন কেন এসছো এটা জিজ্ঞাসা করতে? আমার হাতে আর কিছু নেই, আমার পরিবার যা চাইবে আমি তাই করবো, আমি আমার পরিবারের মতের বাহিরে কিছু করতে পারবো না।
আমি রুমনের কথা গুলো শুনে একদৃষ্টিতে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম, শুধু বললাম ধন্যবাদ তোমাকে। রুমন সবাইকে নিয়ে চলে গেলো আমি তাকিয়ে রইলাম সবার যাওয়ার দিকে। একে একে পুরো বাড়ি ফাঁকা হয়ে গেলো, আমি ঠাঁস করে ওখানেই মাটিতে বসে পড়লাম। আমার চোখে একফোঁটা জলও নেই, কিন্তু চারিদিকে কান্নার রোল যেন কেউ মারা গেছে একটু আগেই।
হ্যা সত্যি তো মারা গেছে, আমার যত স্বপ্ন, আশা আকাঙ্খা, বাড়ির সবার আনন্দ স্বপ্ন একমুহুর্তে সব মারা গেলো। এখন যেটা পরে রইলো সেটা শুধুই মৃত দেহ যা থেকে পঁচা গন্ধ বের হতে শুরু করবে কাল থেকেই, বাহিরে কেউ বের হতে পারবে না, আমাকে দেখলেই সকলে নাকে কাপড় দিয়ে নাক সিটকাবে। আমার বাড়ির লোকজন আমার পঁচা দুর্গন্ধের কারনে লজ্জায় করো সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারবে না।
কিছুক্ষন পর চারিপাশ কেমন শ্মশান নিরবতায় ছেয়ে গেলো, যেন পৃথিবীর কোথাও কেউ নেই একমাত্র আমি উঠানের মাঝখানে বসে আছি চুপচাপ। সারা রাত ওভাবেই কেটে গেলো, কারো খাওয়া নেই ঘুম নেই কথা নেই, সবাই যেন যার যার পৃথিবীতে সম্পূর্ণ একা। ভোরের দিকে একজন এসে আমাকে বললো এভাবে আর কতক্ষন বাহিরে বসে থাকবি রুমে চল। এভাবে চুপচাপ থাকলে তো পাগল হয়ে যাবি, একটু সবার সাথে কথা বল, একটু জোরে জোরে কান্না কর তাহলে বুকের ভেতরটা হালকা হবে, এভাবে কষ্ট চেপে রাখলে তো তুই মরে যাবি। যা হবার হয়ে গেছে এখন এটা ভাগ্য মেনে নে, তোর ভাগ্যে এমনটা ছিলো বলেই হয়েছে।
আমি কোন উত্তর না দিয়ে উনার সাথে রুমে গেলাম, রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিলাম। আমার দরজা বন্ধ করা দেখে সবাই ভয় পেলো, ভাবলো আমি হয়তো খারাপ কিছু করে ফেলতে পারি তাই দরজা ধাক্কাতে লাগলো সাথে নানা রকম সান্ত্বনা আর পরামর্শের বানী চলতে থাকলো। বুঝলাম চুপ করে থাকলে এরা আমাকে একা একটু শান্তিতে থাকতে দেবে না তাই দরজাটা খুলে সবাইকে বললাম আপনারা ভয় পাবেন না, আমি মরবো না, আমি এত দুর্বল আর কাপুরুষ নই যে আত্মহত্যা করবো। আমি একটু একা থাকতে চাই, দয়া করে আমাকে একটু একা থাকতে দিন।
আমার কথাগুলো শুনে সবাই ভরসা পেলো বললো আচ্ছা সবাই চলো ওকে একটু একা থাকতে দেওয়া উচিত, ওর যেভাবে ভালো লাগে সেভাবেই থাকুক কেউ বিরক্ত করো না বলেই সবাই চলে গেলো।
নানা রকম চিন্তা করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি জানিনা, কেউ আমাকে ডাকেওনি, সারাদিন ঘুমিয়ে সন্ধ্যা বেলা জাগা পেয়েছি আম্মার ডাকে। এতটাই দুর্বল লাগছে আমি চোখ মেলে তাকাতে পারছি না কেমন মাতাল মাতাল লাগছে। আম্মা বললো সন্ধার সময় ঘুমাতে হয় না মা একটু উঠে হাত মুখ ধুরে কিছু একটু মুখে দে, কাল থেকে তো কিছুই পেটে যায়নি।
আমি খুব কষ্টে উঠে বাথরুমে গেলাম, বাথরুমে ঢুকেই সবগুলো ট্যাপকল ছেড়ে দিয়ে জোরে করে ঝর্না ছেড়ে ঝর্নার নিচে নতুন বউয়ের সাজেই দাঁড়িয়ে গেলাম, গায়ে পানি পড়তেই আমার চিৎকার করে প্রচন্ড কান্না পেলো, মনে হলো এই সাজে আজ আমার অন্য কারো সাথে গোসল করার কথা ছিলো, আমি জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম। এতগুলো ট্যাপের পানি পড়ার শব্দকে ছাপিয়ে আমার কান্নার শব্দ বাহিরে গেছে কিনা জানি না তবে আমাকে কেউ ডাকেনি, হয়তো একটু মন খুলে কান্না করার সুযোগ দিলো সবাই।
আমি এক ঘন্টা পড় বাথরুম থেকে কাঁপতে কাঁপতে বের হলাম, মনে হচ্ছে পৌষ মাসের শীত যেন আঁকড়ে ধরেছে আমাকে। একজন আমার এমন অবস্থা দেখেই দৌড়ে এসে ধরে রুমে নিয়ে গরম কাপড় জড়িয়ে দিলো। খাবার এনে খেতে দিলো কিন্তু আমি কিছুই খেতে পারলাম না। শুয়ে গেলাম সাথে সাথে। তারপর যখন চোখ মেললাম তখন তাকিয়ে দেখি আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে, আমার পাশে কয়েকজন বসে আছে। হাতে স্যালাইনের নল। অবাক হয়ে জানতে চাইলাম আমি এখানে কেন? কি হয়েছে আমার? তখন শুনলাম আমি প্রচন্ড জ্বরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম তাই সঙ্গে সঙ্গে হসপিটালে এনে ভর্তি করানো হয়েছে, মাঝখানে একটা দিন কেটে গেছে আমি কিছুই জানিনা।
ডাক্তার বলেছে অতিরিক্ত টেনশন আর শক পেয়ে এমন হয়েছে।
বিকেলে রিলিজ নিয়ে বাড়ি চলে আসলাম। বাড়িতে এসেই আমি মোবাইলটা চেক করলাম কোন কল এসছিলো কিনা। না কোন কল আসেনি। মোবাইলটা রেখে দিয়ে খুব কষ্ট হলো যে প্রীতম সাহেব একবারও খোঁজ নিলো না যে এমন ঘটনার পর আমার কি হলো? আজ ৩টা দিন কেটে গেলো অথচ একটা বার কল দিলো না। প্রচন্ড অভিমান হলো, ভাবলাম আমিও আর কল দেবো না, কখনো জানাবো না আমার জীবনে কি ঘটে গেছে। উনি জানে আমার বিয়ে হয়ে গেছে সেটাই জানুক, আমি তার জানাকে কখনো মিথ্যে প্রমান করবো না।
আরো দুদিন কেটে গেলো কিন্তু পরীর কোন খবর পেলাম না প্রীতম সাহেবও কল দিলো না। মনের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করতে শুরু করেছে, মনে হচ্ছে এখনই পরীর সাথে একমিনিট কথা না বললে আমি মরেই যাবো। নিজের মনের রাগ অভিমান ভুলে মনকে যুক্তি দিলাম যে, প্রীতম সাহেবকে যে অপমান করে বের করে দেওয়া হয়েছে তারপর উনি কোন মুখে আমাকে কল দেবে, আর উনি তো জানে আমি রুমনের বউ হয়ে গেছি আর রুমন চায় না আমি কথা বলি তাহলে উনি কি করে আমাকে কল দিয়ে খোঁজ নিবে, উনার হাজার ইচ্ছে হলেও বা কষ্টে মরে গেলেও তো কল দিবে না সেটা যে কেউ হলেই করবে। কিন্তু আমার পরী? ওকে কি করে বুঝিয়ে আটকে রেখেছে প্রীতম সাহেব? পরী আবার আগের বারের মত অসুস্থ হয়ে পড়েনি তো? হায় আল্লাহ আমি শুধু নিজের অভিমান, রাগ আর কষ্টকেই বড় করে দেখলাম এতদিন একবারও এগুলো মনে হয়নি, একবারও পরীর কথা চিন্তা করিনি, না জানি ওরা বাবা মেয়ে কিসের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে।
আমি তাড়াতাড়ি মোবাইলটা হাতে নিয়ে কল দিলাম কিন্তু এই মুহুর্তে আপনার কাঙ্খিত নাম্বারটিতে সংযোগ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না বলছে, আবার দিলাম একই কথা। আমার মাথা ঘুরে উঠলো মোবাইল বন্ধ কেন? এমন তো কখনো হয়নি। আবার দিলাম একই কথা, আচ্ছা উনি সীমটা চেন্জ করে ফেলেনি তো আবার? ওএমজি তাহলে এখন আমি কি করবো?
সারারাত আমি ট্রাই করলাম কল ঢুকে নাকি কিন্তু প্রতিবার একই কথা। সকালে উঠেও একই অবস্থা পেয়ে আমি রেডি হয়ে বের হলাম। আম্মা বললো কোথায় যাবি? বললাম কাজ আছে মা কতদিন আর ঘরের মধ্যে মুখ লুকিয়ে এভাবে বসে থাকবো? বলেই আমি বের হয়ে চলে এলাম।
সোজা প্রীতম সাহেবের বাসায় এসে নক করতেই দেখি দরজায় তালা ঝোলানো। বুকের মধ্যে ধপাস করে উঠলো, একি দরজায় তালা মোবাইল বন্ধ এখন উপায়? দৌড়ে পাশের বাসায় নক করে জানতে চাইলাম কিছু জানে কিনা কোথায় গেছে। বললো জানে না কিছু।
আমি আর দেরী না করে সোজা প্রীতম সাহেবের অফিসে গেলাম, অফিসে আসতেই যেই দেখছে সেই বলছে ম্যাডাম কেমন আছেন কি খবর? সবার সাথে সৌজন্য হাসি দিয়ে বললাম প্রীতম সাহেব আছেন কিনা? সবাই বললো নাই কয়দিন হলোই তিনি অফিসে আসছেন না, আর কেন আসছেন না তাও জানে না। বললো জিএম স্যার জানতে পারে আপনি স্যারের সাথে কথা বলুন।
আমি দেরি না করে জিএম স্যারের রুমে গেলাম, গিয়েই বললাম স্যার প্রীতম সাহেবের কোন খবর জানেন কিনা? জিএম স্যার বললো প্রীতম সাহেব তো কাউকে কিছু না বলেই ছুটিতে গেছেন পরে দেখলাম একটা ছুটির মেইল পাঠিয়েছে, মেইল পাঠিয়ে আমাকে কল দিয়েছিলো একবার, শুধু বললো স্যার একটু সমস্যার কারনে কিছুদিনের ছুটি দরকার আর উনি নাকি টেন্সফার নেওয়ার চেষ্টা করছেন ছুটি শেষ হলে একবারে নতুন জায়গাতেই জয়েন করবেন। কেন টেন্সফার নিতে চায় জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিন্তু এমনি বলেই লাইনটা কেটে দেয়। আর কথা হয়নি উনাকে কল দিলেও নাম্বার বন্ধ তাই কোন যোগাযোগও করতে পারিনি।
আমার পুরো পৃথিবী অন্ধকারে ঢেকে গেলো, আমি চোখে অন্ধকার ছাড়া কিছু দেখতে পাচ্ছি না। জিএম স্যার অনেক প্রশ্ন করলো কিন্তু সেগুলোর কোন উত্তর না দিয়ে আমি আমার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে অনুরোধ করলাম যদি প্রীতম সাহেব কোন কাজে এক মিনিটের জন্যও আসেন এখানে বা তার কোন খবর পায় তাহলে যেন আমাকে একটু কষ্ট করে সাথে সাথে চুপ করে হলেও জানায়। বলেই বের হয়ে চলে এলাম।
বাড়িতে এসেও বারবার বন্ধ নাম্বারেই কল দিলাম একটু পরপরই যদি কোন কারনে হঠাৎ খোলে তখনই যেন আমার কল যায় সেই আশায়।
আরো দুদিন গেলো কোন খবর পেলাম না, আমি সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করলাম কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারলো না। মনে মনে আল্লাহকে বললাম হে আল্লাহ আমি কি এমন পাপ করেছিলাম যার শাস্তি হিসেবে আমার থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়ে একমুহুর্তে আমাকে এমন নিঃস্ব করে দিলে? কেন আমাকেই সব হারিয়ে এতটা কষ্ট পেতে হচ্ছে? যদি চলে যাওয়ারই ছিলো তবে কেন কাছে আনলে? একা একা এসব বলে অনেক কান্না করলাম।
১০দিন পার হলেও কোন খোঁজ পেলাম না ওদের। হঠাৎ মোবাইলে রিংটন শুনে দৌড়ে এলাম এই বুঝি প্রীতম সাহেব কল দিয়েছে, রিসিভ করলেই পরী বলবে মাম্মাম তোমাকে খুব মিস করছি। মোবাইলটা হাতে নিতেই দেখি রুমনের কল, রুমন আমাকে কেন কল দিলো? ধরবো নাকি ধরবো না ভাবতেই কেটে গেলো। আবার কল এলো এবার রিসিভ করে হ্যালো বলতেই রুমন বললো কেমন আছো?
#আমি- খুব ভালো আছি তুমিও নিশ্চয় ভালো আছো?
#রুমন- আমি ভালো নেই, তোমাকে ছাড়া আমি ভালো থাকতে পারছি না, আমি জানি আমার ভুল হয়ে গেছে প্লিজ তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
#আমি- তোমার কোন ভুল হয়নি আর ক্ষমা চাওয়ারও কিছু নেই বরং আমার তোমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত কারন তুমি আমার এতবড় ভুল করা থেকে রক্ষা করেছো।
#রুমন- কি ভুল করা থেকে রক্ষা করেছি?
#আমি- আমাদের বিয়েটা। তোমার আমার বিয়েটাই ছিলো মারাত্বক একটা ভুল সিদ্ধান্ত, এই বিয়ে হলে সারাজীবন আমরা দুজন কষ্ট পেতাম কারন আমরা দুজন দুজনের সঠিক চয়েজ ছিলাম না। আমাদের মন মানসিকতায় আকাশ পাতাল তথাৎ ছিলো, আমরা কোনদিনও সুখি হতে পারতাম না, তাই তুমি সেদিন বিয়েটা ভেঙ্গে দিয়ে আমাকে অনেক বড় ভুল থেকে রক্ষা করেছো।
#রুমন- আমি জানি সেদিন তোমার সাথে যেটা হয়েছে সেটা ঠিক হয়নি, আমি চলে যাওয়ার পরই নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি কিন্তু তখন যে মাথায় কি হয়েছিলো সত্যি আমার জ্ঞান ছিলো না। তুমি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও, তোমার যত ইচ্ছা আমাকে অপমান করো গালি দাও আমি কিছু বলবো না। আমি শুধু তোমার সাথে একবার দেখা করতে চাই, তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে প্লিজ একটু দেখা করো।
#আমি- তোমাকে আমি সেদিনই প্রান ভরে দেখে নিয়েছি, তোমার সব রুপ আমি ভালো করে দেখে নিয়েছি যেটা সারাজীবন ভুলবো না, তাই এজীবনে তোমাকে দেখার আর কোন সাধ আমার জাগবে না।
রুমন খুব অনুরোধ করতে লাগলো প্লিজ শুধু একটাবার দেখা করো দুমিনিটের জন্য।
#চলবে…
♥স্বপ্না’স খেয়াল♥

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.